ক্রীড়া ডেস্ক

অন্যকে জানাতে পারেন:

রবিউল আলম। ছবি: সংগৃহীত

দেশের ক্রিকেটে পেসারদের যখন উত্থানের লগ্ন চলছে, তখন কুমিল্লার এক তরুণ স্বপ্ন দেখছিল জাতীয় দলে খেলার। ২০১৫ সালে কুমিল্লা জেলা প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি ছিলেন। ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ‘পেসার হান্ট’ এ কুমিল্লা অঞ্চলের সেরা বোলার হয়েছিলেন। সেই তরুণ পেসার রবিউল আলম চলে গেছেন না ফেরার দেশে!

গত আগস্টে অনুশীলনের সময় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে জানা যায় তার দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে। পরে জানা যায় রবিউলের দুটি কিডনিই নষ্ট! এমন তরতাজা সবসময় ফিট রবিউলের কিডনি নষ্ট হতে পারে এমনটা ভাবনায় ছিল না কারও! ঢাকায় চিকিৎসার পর গত ডিসেম্বরে ভারতে নেয়া হয় কুমিল্লার এই পেসারকে।

সেখান থেকে আবারও ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয় দেশে। পরিবার থেকে একটি কিডনি প্রতিস্থাপনের ব্যবস্থা হলেও রবিউলের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ায় টাকা। এ নিয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে গত ২৪ ডিসেম্বর প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে অনেকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন। তখন বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম গুরুত্বসহকারে এই সংবাদ পরিবেশন করে।

ভারত থেকে দেশে ফিরে মোহাম্মদপুরের সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রায় সাত মাস ভর্তি থাকার পর সুস্থ হলে কুমিল্লায় বাড়িতে নেয়া হয় তাকে। ঈদুল আজহার সপ্তাহ খানেক আগে আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। ঢাকায় আনার পর জানা যায় তার রক্তে সংক্রমণ হয়েছে! অবশেষে সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে মঙ্গলবার বিকেলে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান রবিউল। অকালেই থেমে যায় এক সম্ভাবনাময় পেসারের জীবন!

আপনার মন্তব্য