ফিচার ডেস্ক

অন্যকে জানাতে পারেন:

apple-8
ছবি: সংগৃহীত

বাজারে আসছে অ্যাপলের আইফোন ৮। সম্ভবত বাজারে থাকা আইফোনের মধ্যে আইফোন ৮ সবচেয়ে একঘেয়ে হবে। কারণ এটা আইফোন এক্স ভার্সন হিসেবে বাজারে আসছে।

তবে ভাবা হচ্ছে ফোনটি এ যাবতকালে তৈরি করা মুঠোফোনের মধ্যে সবচেয়ে ভবিষ্যতমুখী। ব্যবহারকারীরা ২২ সেপ্টেম্বর থেকে বাজারে আইফোন ৮ কিনতে পারবেন।

নামকরণের ক্ষেত্রে প্রচলিত রীতির বাইরে আইফোন ৭এস ও ৭এস প্লাস বাদ দিয়ে নতুন আইফোন ৮ ও ৮ প্লাস উন্মোচন করেছে অ্যাপল। এর পাশাপাশি আইফোনের ১০ বছরপূর্তি উপলক্ষ্যে নতুন আইফোন টেন উন্মোচন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। টেন নামকরণ করা হলেও রোমান রীতিতে X অক্ষর ব্যবহার করে নামকরণ করা হয়েছে।

বাহ্যিক দিক থেকে দেখলে আইফোন ৭ ও ৭ প্লাস এর সঙ্গে খুব বেশি পার্থক্য নেই আইফোন ৮ ও ৮ প্লাস-এর। এ ক্ষেত্রে নকশায় পরিবর্তন আনতে ডিভাইসের পেছনে অ্যালুমিনিয়ামের পরিবর্তে গ্লাস ব্যবহার করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অ্যাপল দাবি করছে এটি তাদের ডিভাইসগুলোতে ব্যবহার করা সবচেয়ে মজবুত গ্লাস।

বাহ্যিক পরিবর্তন খুব বেশি না হলেও নতুন আইফোন ৮-এর ভেতরে প্রায় সবগুলোই নতুন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করেছে অ্যাপল। ডিভাইসগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানের নতুন এ১১ বায়োনিক চিপ। এর সঙ্গে নতুন গ্রাফিক্স প্রসেসরও যোগ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

আইফোন ৭ প্লাস-এর ডুয়াল ক্যামেরা আপডেট করা হয়েছে আইফোন ৮-এ। আর পেছেনে গ্লাস ব্যবহার করায় এবার ডিভাইসগুলোতে ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তি যোগ করেছে অ্যাপল। নতুন আইফোন ৮-এর ব্যতিক্রমী ফিচার বলতে শুধু ওয়্যারলেস চার্জিং-ই।

নতুন আইফোন ৮-এ খুব বেশি বাহ্যিক পরিবর্তন আনা না হলেও কার্যকারিতায় আইফোন ৭-এর চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে থাকার দাবি করেছে অ্যাপল।

আইফোন ৮ চার দশমিক সাত ইঞ্চির রেটিনা ডিসপ্লে থাকছে। তবে আইফোন এইট প্লাসের মডেল আরো বড় থাকছে যার রেটিনা ডিসপ্লে থাকছে পাঁচ দশমিক পাঁচ ইঞ্চি। কেবল সাইজই তাদের মধ্যে পার্থক্য তৈরির একমাত্র বিষয় না। আরো অন্যান্য বিষয়ও আছে।

সর্বশেষ প্রজন্মের আইফোনের মতো রেগুলার আইফোন ৮ থাকছে সিঙ্গেল  ক্যামেরা, ১২ মেগা পিক্সেলের লেন্স, যেখানে আইফোন এইট প্লাসে থাকছে ডুয়েল ক্যামেরা এবং ১২ মেগা পিক্সেলের দুটি সেন্সর।

এ ছাড়া পোর্ট্রেট লাইটিং নামে নতুন একটি ফিচার থাকছে। যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী লাইটিং পরিবর্তন করে এবং স্পেশাল সেন্সর ও সফটওয়ার ব্যবহার করে অসাধারণ পোর্ট্রেট ছবি তোলা যাবে। এমনকি ছবি তোলার পরও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ছবি এডিট করা যাবে। আর এই ক্যামেরার মাধ্যমে চলন্ত অবস্থায়ও বাস্তব চিত্রের মতো ছবি তোলা যাবে। 

তিনটি হ্যান্ডসেটই সিলভার, গ্রে, পিংক ও গোল্ড কালারের পাওয়া যাবে। সামনে ও পেছনে গ্লাস থাকছে যা পানি ও ময়লা নিরোধক। যে কেউ ১৫ সেপ্টেম্বর থেকেই অগ্রিম অর্ডার করতে পারবেন এবং ২২ তারিখ থেকে তারা বাজারে ছাড়বে।

হ্যান্ডসেটগুলোতে ৩২ জিবি, ১২৮ জিবি ও ২৫৬ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ থাকছে এবং দাম পড়বে যথাক্রমে ৬৯৯ ও ৭৯৯ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় ৫৭ হাজার ৬৬৭ টাকা ও ৬৫ হাজার ৯১৭ টাকা।

আপনার মন্তব্য