বিদেশ ডেস্ক

অন্যকে জানাতে পারেন:

ফাইল ছবি

কবি আবুল হাসান লিখেছিলেন, পৃথিবীতে এখনো আমার মাতৃভাষা ক্ষুধা। সত্যিই তাই। সারা বিশ্বেই মানুষের ক্ষুধার ভাষা এক। যাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে সব সম্পদ তারা বাদে সব দেশের দরিদ্র মানুষই একই চিন্তায় বেঁচে আছে তা হলো ক্ষুধা নিবারন। কোটি কোটি মানুষের শুধু তার মৌলিক চাহিদা পূরণের চেষ্টা করতেই দিন রাত শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। অথচ বিশ্বের অর্ধেক সম্পদই মাত্র আটজন মানুষের কাছে রয়েছে।

অর্থ্যাৎ সারা বিশ্বের মানুষের কাছে যে সম্পদ রয়েছে সেই পরিমাণ সম্পদ দখল করে আছেন মাত্র আটজন ব্যক্তি। দিন দিন এই বৈষম্য বাড়ছে। ধনীরা আরো ধনী হচ্ছে গরিব আরো গরিব হচ্ছে। এমনই তথ্য উঠে এসেছে অক্সফাম এর প্রতিবেদনে।

গত বছরের মার্চে ফোর্বস ম্যাগাজিনে প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের সম্পদের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে অক্সফাম।

অক্সফাম গত বছর যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলো তাতে বলা হয়েছে মোট সম্পদের অর্ধেক রয়েছে ৬২ জনের কাছে। এবার তা কমে এসেছে মাত্র ৮ জনের হাতে। অর্থ্যাৎ বৈষম্য আরো বাড়ছে।

অক্সফামের নির্বাহী পরিচালক উইনি বিয়ানিমা বলেন, ‘মাত্র গুটি কয়েক মানুষের হাতে এত সম্পদ থাকার বিষয়টি অনুচিত, কারণ বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রতি ১০ জনের একজন প্রতিদিন দুই ডলারেরও কম দিয়ে জীবনযাপন করছে৷'

ফোর্বসের তালিকা বলছে, মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি৷ তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৭৫ বিলিয়ন ডলার৷ এরপর আছেন স্প্যানিশ ব্যবসায়ী অ্যামানসিও ওর্তেগা (৬৭ বিলিয়ন ডলার), মার্কিন ব্যবসায়ী ওয়ারেন বাফেট (৬১ বিলিয়ন ডলার), মেক্সিকান ব্যবসায়ী কার্লোস স্লিম (৫০ বিলিয়ন ডলার), অ্যামাজনের প্রধান জেফ বেজোস (৪৫ বিলিয়ন ডলার), ফেসবুকের মার্ক সাকারবার্গ (৪৪.৬ বিলিয়ন ডলার), সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওরাকলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি অ্যালিসন (৪৪ বিলিয়ন ডলার) ও নিউ ইয়র্কের সাবেক মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গ (৪০ বিলিয়ন ডলার) ৷

আপনার মন্তব্য